ফরিদপুরে সবজির দাম বেড়েছে দ্বিগুণ, বিপাকে নিম্ন আয়ের মানুষ

বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কম হওয়ায় ফরিদপুরে সবজির দাম বেড়ে দ্বিগুণ হয়েছে। আজ রোববার (১৮ এপ্রিল) বাজারে গিয়ে দেখা গেছে লকডাউনের অজুহাতে কোন কোন সবজির দ্বিগুণের চেয়েও বেশী দাম বেড়েছে। দ্রুত দাম বেড়ে যাওয়ায় চরম বিপাকে পড়েছেন নিম্ন আয়ের ও খেটে খাওয়া মানুষ।

ফরিদপুরের কয়েকটি বাজার ঘুরে দেখা যায়, লকডাউনের আগের দিনে প্রতিটি সবজির দাম যা ছিলো, তা লকডাউনের সরবরাহ কম অজুহাতে দ্বিগুণ বেড়েছে। কয়েকদিনের ব্যবধানে ৩০ টাকা কেজি দরের বেগুন এখন বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা। ২৫ টাকা কেজির শসা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা ও ৩০ টাকার পটল বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা কেজি দরে। ঢেঁড়স ছিলো ২৫ টাকা এখন তা বিক্রি হচ্ছে ৫০ টাকা, ১০ টাকা পিচের বাঁধাকপি বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা। এছাড়াও অন্যান্য সবজির দামও দ্বিগুণ বেড়েছে।

সবজি কিনতে আসা ভ্যান চালক শহিদ মোল্যা বলেন, ‘লকডাউনের কারণে তেমন রোজগার নেই। বাজারে এসে দেখি সব সবজির দাম বেড়েছে। আমরা গরীব মানুষ দিন আনি দিন খায়। এভাবে সবজির দাম বাড়লে পরিবার পরিজন নিয়ে কিভাবে বাঁচবো।’

সরোয়ার নামের এক সবজি ক্রেতা বলেন, ‘হঠাৎ এত দাম বাড়লে, সাধারণ মানুষ কিভাবে চলবে, বুঝি না। তাই প্রশাসনের কাছে বাজার মনিটরিং-এর দাবি জানাচ্ছি। পাইকারি সবজি ব্যবসায়ী আরমান ফকির বলেন, লকডাউনের কারণে বাজারে সবজির সরবারহ কম হচ্ছে। চাহিদার তুলনায় সরবরাহ কমে যাওয়ায় সবজির দাম বেড়েছে। আমরা বাহিরের বাজার থেকে বেশি দামে কিনছি, তাই বাজারে বেশি দামে বিক্রি করছি।

ফরিদপুর জেলা বাজার কর্মকর্তা শাহাদাৎ হোসেন বলেন, কিছু পণ্য আছে যার সরবরাহ কম কিন্তু চাহিদা বেশি থাকায় কিছুটা দাম বেড়েছে। তিনি বলেন, আমরা নিয়মিত বাজার মনিটরিং করছি। আশা করি দ্রুত সবজির দাম কমে আসবে।

কনজুমার্স এসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ক্যাব) এর ফরিদপুর জেলা শাখার সভাপতি শেখ ফয়েজ আহমেদ বলেন, লকডাউনের সময়ে পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা কম থাকায় অনেক সময় পণ্যের দাম কিছুটা বেড়ে যায়। এজন্য সরকারের পণ্য সরবরাহ ব্যবস্থা নির্বিঘ্নে রাখা উচিত। এছাড়া কৃষি পণ্য উৎপাদনের ব্যাপারে জোর দেওয়ার কথা বলেন তিনি।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *