তৃতীয় ম্যাচেও জয় শূন্য হায়দরাবাদ

ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) প্রথম তিনটি ম্যাচই হারলো হায়দরাবাদ। এবারের আসর যেন পরাজয়কে নিত্যসঙ্গী নিয়ে ছূটে চলা সানরাইজার্স হায়দরাবাদের। টুর্নামেন্টের তৃতীয় ম্যাচে এসেও জয়ের দেখা নেই দুইবারের শিরোপা জয়ী দলটির। মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের বিপক্ষে ১৩ রানে হেরেছে তারা।

নির্ধারিত ২০ ওভারে ডেভিড ওয়ার্নারের দলের লক্ষ্য ছিল ১৫১ রান। সেই লক্ষ্য তাঁড়া করতে নেমে দারুণ শুরু করেছিলেন দলটির দুই উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান ওয়ার্নার এবং জনি বেয়ারস্টো। দুজনে যোগ করেন ৬৭ রান। কিন্তু বিজয় শঙ্কর বাদে দলের বাকি ব্যাটসম্যানদের চরম ব্যর্থতায় হার নিয়েই সন্তুষ্ট থাকতে হয় হায়দরাবাদকে।

এই ম্যাচে পরাজয়ের ক্ষেত্রে কিছুটা দুর্ভাগ্যও কাজ করেছে দলটির হয়ে। ২২ বলে ৪৩ রান করে হিট উইকেটের শিকার হন বেয়ারস্টো। আর ৩৪ বলে ৩৬ রান করা ওয়ার্নার দুই রান নিতে গিয়ে রান আউটের শিকার হন। তিন নম্বরে নেমে মনিশ পান্ডে করেন ২ রান।

শঙ্করের ২৮ এবং বিরাট সিংয়ের ১১ রান ছাড়া আর কোন ব্যাটসম্যানই তেমন রান করতে পারেননি। তাই শেষ ৮ রানের মধ্যে ৪ উইকেট হারিয়ে ফেলে তারা। ফলে ২ বল বাকি থাকতেই জয় থেকে ১৩ রান দূরে থেকে অলআউট হয়ে যায় হায়দরাবাদ।

শেষ ৪ উইকেটের ৩ উইকেটই নেন ট্রেন্ট বোল্ট। এই বাঁহাতি পেসার পরপর দুই বলে আউট করে হ্যাট্রিকের সম্ভাবনাও জাগিয়েছিলেন। তবে পুরো ম্যাচে দারুণ বল করেছেন রাহুল চাহার। এই লেগ স্পিনার ৪ ওভারে মাত্র ১৯ রান দিয়ে নেন ৩ উইকেট।

এদিকে টসে জিতে ব্যাট করতে নেমে নির্ধারিত ২০ ওভার শেষে ১৫০ রান সংগ্রহ করে মুম্বাই। দলের হয়ে সর্বোচ্চ রান আসে কুইন্টন ডি ককের ব্যাট থেকে। বাঁহাতি উইকেটরক্ষক এই ব্যাটসম্যান আউট হবার আগে করেন ৩৯ বলে ৪০ রান। এই ইনিংসটি তিনি সাজিয়েছিলেন ৫টি চারের সাহায্যে।

অধিনায়ক রোহিত শর্মার ব্যাট থেকে আসে ২৫ বলে ৩২ রান। এই দুজন মিলে প্রথম উইকেট জুটিতে যোগ করেন ৫৫ রান। এরপর সূর্যকুমার যাদব এবং ইশান কিশান দ্রুতই আউট হয়ে যান। সূর্যকুমার ১০ এবং কিশান ১২ রান করেন।

৬ নম্বরে নামা হার্দিক পান্ডিয়াও ৭ রানের বেশি করতে পারেননি। তবে দলের রানকে দেড়শ পাড় করাতে অবদান রেখেছেন কাইরন পোলার্ড। এই ডানহাতি ব্যাটসম্যান শেষ পর্যন্ত ২২ বলে ৩৫ রান করে অপরাজিত থাকেন। যার মধ্যে ১টি চার ও ৩টি ছয়ের মার।

পোলার্ডের সঙ্গে অপরপ্রান্তে অপরাজিত থাকেন ক্রুনাল পান্ডিয়া। হায়দরাবাদের বোলারদের মধ্যে ২টি করে উইকেট শিকার করেন মুজিব উর রহমান এবং বিজয় শঙ্কর। ১টি উইকেট পেয়েছেন বাঁহাতি পেসার খলিল আহমেদ।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *